ট্রানজিস্টর কি? কিভাবে কাজ করে?
ট্রানজিস্টরঃ N-টাইপ ও P-টাইপ মেটারিয়ালে তিনটি কম্বিনেশনের মাধ্যমে বেসিক ট্রানজিস্টর তৈরি করা হয়। এই কম্বিনেশনের ফলে NPN এবং PNP
ডায়োড কি? কিভাবে কাজ করে?
ডায়োডঃ ডায়োড হচ্ছে একটি সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইস যা N-টাইপ ও P-টাইপ মেটারিয়ালের সমন্বয়ে গঠিত। ডায়োড কারেন্ট প্রবাহের ক্ষেত্রে একটি ওয়ান অয়ে
সেমিকন্ডাক্টর কি?
সেমিকন্ডাক্টরঃ মডার্ন টেকনোলজির রেভল্যুশন সেমিকন্ডাক্টরের মাধ্যমে সম্ভব হয়েছে। সকল একটিভ কম্পোনেন্ট, ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট, মাইক্রোচিপ, ট্রানজিস্টর এবং বিভিন্ন রকম সেন্সর সেমিকন্ডাক্টর
ইলেক্ট্রিসিটি এবং টেম্পারেচারের মধ্যে রিলেশনশিপ কি?
কন্ডাক্টরের মধ্যে ইলেকট্রন প্রবাহের স্পীডের পরিবর্তনের উপর তাপমাত্রার অনেক প্রভাব থাকে। যখন ইলেক্ট্রিসিটি রেজিসটেন্সের মধ্য দিয়ে পাস করা হয় তখন
ইলেক্ট্রিসিটি এবং ফোর্সের মধ্যে রিলেশনশিপ কি?
কন্ডাক্টিভ ওয়্যারে ম্যাগনেটিক ফিল্ডের মধ্যে কারেন্ট পেছন থেকে সামনের দিকে প্রবাহিত হয় যা সাধারণত ম্যাগনেট দ্বারা উৎপন্ন হয়। ডানহস্ত নিয়ম
ম্যাগনেটিক ফিল্ড কি? ইলেক্ট্রিসিটির সাথে এর সম্পর্ক কি?
ম্যাগনেটিক ফিল্ড ১৮৩১ সালে মাইকেল ফ্যারাডে ম্যাগনেটিক ইন্ডাকশন এক্সপেরিমেন্ট করে দেখান। ম্যাগনেট দুই রকম; পার্মানেন্ট এবং টেম্পরারী। তবে উভয়ই ম্যাগনেটিক
পাওয়ার ফ্যাক্টর কি?
যখন আমরা এসি কারেন্ট ইন্ডাক্টিভ অথবা ক্যাপাসিটিভ লোডে দেই তখন পাওয়ার ফ্যাক্টর এঙ্গেল ঘটে। পাওয়ার ফ্যাক্টর সাধারণত পাওয়ারের ইফিশিয়েন্সি নির্দেশ
ইলেক্ট্রিক্যাল লোড কত প্রকার ও কি কি?
সাধারণ ভাষায় ইলেক্ট্রিক্যাল লোড হচ্ছে কোন কম্পোনেন্ট বা ডিভাইস যা সাধারণত ইলেক্ট্রিক্যাল এনার্জি শোষণ করে কারেন্ট আকারে। আমাদের আশেপাশে এমন
ভোল্টেজ, কারেন্ট, রেজিসটেন্স
ভোল্টেজ: ভোল্টেজ হচ্ছে দুটি চার্জের মধ্যবর্তী পটেনশিয়াল ডিফারেন্স। অথবা বলা যায়, ইলেক্ট্রিসিটি প্রবাহিত হওয়ার জন্য যে ফোর্স দরকার সেটিই হচ্ছে